• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মেসিকে সুবিধা দিচ্ছে ফিফা! ‘চোখ বন্ধ করে থাকছেন রেফারি’, লিয়োর বিশ্বরেকর্ডের গোল ঘিরে আবার বিতর্ক প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে সুধী সমাবেশের কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রাজপথে রাজনৈতিক দল, সতর্কবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে আদালত: তথ্য উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলায় দুঃখ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের একদলীয় শাসনে বিশ্বাসী নয় বিএনপি: মির্জা ফখরুল গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ কাইল্লা পলাশ মারা গেছেন বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন; থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বামী গ্যালারি মাতাবেন না ইংল্যান্ড তারকাদের স্ত্রী ও প্রেমিকারা

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে সুধী সমাবেশের কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগ

Reporter Name / ৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

মালয়েশিয়া সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের সফর করেছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠকসহ ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর উপলক্ষে হোটেল সাংগ্রিলায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে যারা অংশ নেবেন, তাদের জন্য আলাদা কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু এই কার্ড নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। সেই অভিযোগের তির মালয়েশিয়া বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে মালয়েশিয়া বিএনপির শীর্ষ এক নেতার বিরুদ্ধেই এই অভিযোগ বেশি উঠেছে।

এসব নিয়ে আজ ‘তথ্য-প্রমাণ’ তুলে ধরতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই কার্ডের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হয়েছে। পতিত আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতাকর্মীরাও এই কার্ড পেয়েছেন। স্থানীয় বিএনপির একাংশের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সময় নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন তারা; অথচ সেই আওয়ামী লীগ নেতাদেরই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য কার্ড দেওয়া হয়েছে। অন্তত অর্ধশতাধিক ‘নব্য বিএনপি’কেও এই অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা জানান, দুর্দিনে যারা দলের পাশে ছিলেন, তাদেরই কার্ড দেওয়া হয়নি। এমনও হয়েছে যে, দলের পদধারী নেতার ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী ও আত্মীয়সহ পুরো পরিবারকে কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি বাদলুর রহমান খান। তিনি সমকালকে বলেন, এরকম কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা তাকে জানানোর কথাও বলেন তিনি।

বিএনপির সক্রিয় কর্মী নাফিস আহমেদ সমকালকে জানান, কার্ডের বিনিময়ে তার কাছে দেড় হাজার রিঙ্গিত চাওয়া হয়েছিল; কিন্তু তা দিতে তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ বছর ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে অর্থ দিতে হবে কেন? এটা খুবই দুঃখজনক। আমার কাছে এরকম অনেকেই অভিযোগ করেছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে অর্থের বিনিময়ে কার্ড নিয়েছেন। কেউ কেউ ৫ হাজার রিঙ্গিত, আবার কেউ ৫০০ রিঙ্গিত দিয়েও কার্ড নিয়েছেন।’ বিষয়টি বিএনপির হাইকমান্ডকে খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

আরেকজন ভুক্তভোগী জানান, মালয়েশিয়া বিএনপির ‘সুপার থ্রি’ পদের একজন নেতা এরকম কাজ সবসময়ই করে থাকেন এবং এবারও তিনিই এমনটা বেশি করেছেন। তার পাশাপাশি আরও অনেকেই এই অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন।

মনিরুজ্জামান নামের স্থানীয় এক সাংবাদিক বলেন, যারা বিগত ১৭ বছর জিয়া পরিবারকে সকাল-বিকাল গালিগালাজ করেছে, তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুষ্ঠানে যোগদান করেছে। অথচ বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা ভেতরে ঢুকতে পারেননি।

আরেকজন প্রাসী কর্মী বলেন, মালয়েশিয়া বিএনপির এক সিনিয়র নেতা ২০১৪ সালেও তারেক রহমানের অনুষ্ঠানে প্রবেশের কার্ড বিক্রি করেছিলেন। আবার ২০২৬ সালে এসেও সেই একই নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুষ্ঠানে প্রবেশের কার্ড বিক্রি করেছেন। তথ্য-প্রমাণসহ এমন অভিযোগ করছেন বেশ কয়েকজন।

বিএনপির স্থানীয় আরেক নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের পাশা খান ও এবাদত হোসেইনসহ অনেকে কার্ড পেয়েছেন; কিন্তু তিনি কার্ড পাননি। অথচ এই আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেসবুকে ঢুকলে এখনও সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রীদের সাথে বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি দেখা যায়। বিএনপির ওই নেতা আরও বলেন, কিছু আওয়ামী লীগ নেতাকে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকেও কার্ড দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা